
ফজরের আজানের সময় যদি কারো হাতে খাবার বা পানি থাকে, তাহলে কি তিনি খেতে পারবেন?
📢 আগামীকাল থেকে ইনশাআল্লাহ শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান! আপনি কি প্রস্তুত? 🕌✨
আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহ আমাদের আরেকটি রমজান উপহার দিচ্ছেন! এই মাসে রোযা রাখা ফরজ, আর রোযা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা জেনে নেওয়া জরুরি।
🔹 📜 গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা:
🌙 ফজরের আজানের সময় যদি কারো হাতে খাবার বা পানি থাকে, তাহলে কি তিনি খেতে পারবেন?
✅ উত্তর:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“তোমাদের কেউ যখন সাহরি খাচ্ছে আর আজানের শব্দ শুনতে পায়, তাহলে সে তার প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয় গ্রহণ করা শেষ করুক।” (আবু দাউদ: ২৩৫০, হাসান হাদিস)
🔹 📖 কুরআনের মহান বাণী:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাকারা: ১৮৩)
🌟 এই পোস্টটি শেয়ার করুন, যেন আরও বেশি মানুষ সঠিক মাসআলা জানতে পারে! আপনার কমেন্টে জানিয়ে দিন, আপনি রমজানের জন্য কতটা প্রস্তুত? 💬👇
✅ হাদিস বিশ্লেষণ:
📌 মূল আরবি পাঠ:
إِذَا سَمِعَ أَحَدُكُمُ النِّدَاءَ وَالإِنَاءُ فِي يَدِهِ فَلاَ يَضَعْهُ حَتَّى يَقْضِيَ حَاجَتَهُ مِنْهُ
📌 বাংলা অনুবাদ:
“তোমাদের কেউ যখন আজানের শব্দ শুনতে পায় এবং তার হাতে পানপাত্র থাকে, তাহলে সে যেন তা না রাখে যতক্ষণ না সে তার প্রয়োজনীয় পানীয় গ্রহণ করে।” (সুনান আবু দাউদ ২৩৫০, তিরমিজি ২০৬৬, ইবনে মাজাহ ১৬৯০)
📌 হাদিসের গ্রেড:
এই হাদিসকে হাসান বা সঠিক/বিশ্বাসযোগ্য বলেছেন অনেকে, তবে কিছু মুহাদ্দিস একে দুর্বল বলছেন।
📌 মূল ব্যাখ্যা:
এই হাদিসে আজান শোনার পরেও সাহরি খাওয়ার অনুমতি আছে বলে মনে হতে পারে, কিন্তু অন্যান্য সহিহ হাদিসের ভিত্তিতে বুঝতে হবে যে এটি ফজরের আজান শুরু হওয়ার আগের অবস্থা বোঝায়।
🔹 সহিহ বুখারি ও মুসলিমের স্পষ্ট ব্যাখ্যা:
নবী (ﷺ) বলেছেন:
❝ বিলালের আজানে তোমরা সাহরি খাওয়া বন্ধ করো না, কারণ সে রাতের শেষভাগে আজান দেয়। বরং ইবনে উম্মে মাকতূমের আজান শোনার পর খাওয়া বন্ধ করবে। ❞ (বুখারি: ১৯১৯, মুসলিম: ১০৯২)
🔹 অর্থাৎ:
যদি আজান শুরু হয়ে যায়, তবে খাওয়া বন্ধ করা উচিত। কিন্তু যদি আজান চলাকালীন হাতে কিছু থাকে, তবে সেটুকু শেষ করা যেতে পারে।
⚠ সতর্কতা:
কিছু মানুষ ভুলভাবে এই হাদিসকে ব্যবহার করে বলে থাকেন যে ফজরের আজান শেষ হলেও খাওয়া যাবে, যা সঠিক নয়। সাহরি শেষ করার সঠিক সময় হলো ফজরের সময় শুরু হওয়ার আগেই।
📌 সিদ্ধান্ত:
এই হাদিসটি বিশ্বাসযোগ্য, তবে একে সহিহ হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে। ফজরের আজান শুরু হলে খাওয়া বন্ধ করা উচিত, কিন্তু যদি আজান শুরু হওয়ার মুহূর্তে হাতে কিছু থাকে, তবে সেটুকু খাওয়া যেতে পারে।
💡 সর্বোত্তম আমল:
👉 আজান শুরুর আগেই সাহরি শেষ করা, যাতে কোনো সন্দেহ না থাকে। 🚀
🌟 এই পোস্টটি শেয়ার করুন, যেন আরও বেশি মানুষ সঠিক মাসআলা জানতে পারে! আপনার কমেন্টে জানিয়ে দিন, আপনি রমজানের জন্য কতটা প্রস্তুত? 💬👇
#topfansfollowers #Ramadan2025 #Shariah #madrasah #millon #Ramadan #sunnah #viralpost