
রমজানে মিসওয়াক করলে যে ফজিলত পাবেন, জানলে এখনই শুরু করবেন!
অনেকেই মনে করেন, রোজার সময় মিসওয়াক করলে হয়তো রোজার ক্ষতি হয়ে যাবে! অথচ বাস্তবে, মিসওয়াক শুধু সুন্নত নয়—এটি এমন একটি আমল যা রাসুলুল্লাহ ﷺ নিজে অত্যন্ত পছন্দ করতেন এবং উম্মতকেও এর প্রতি উৎসাহিত করেছেন!
এখন প্রশ্ন হলো, রমজানে মিসওয়াক করলে কী কী ফজিলত পাওয়া যাবে? আসুন, দলিলসহ জেনে নিই—
📌 মিসওয়াকের ফজিলত (সাধারণভাবে এবং রমজানে)
✅ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“মিসওয়াক করতে থাকো, কারণ এতে মুখ পরিষ্কার হয় এবং এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে।”
📖 (নাসাঈ: ৫, ইবন মাজাহ: ২৮৫)
✅ গুনাহ মাফ হয়:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“মিসওয়াক করলে নামাজের সওয়াব ৭০ গুণ বৃদ্ধি পায়।”
📖 (মুসনাদে আহমদ: ৩৯৪৮)
✅ ফেরেশতারা ভালোবাসে:
এক হাদিসে এসেছে—
“যে ব্যক্তি মিসওয়াক করবে, ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকবে।”
📖 (ফয়দুল কাদির: ১/১২০)
✅ মৃত্যুর সময় কালেমা নসিব হয়:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি মিসওয়াক করবে, সে যখন মৃত্যুবরণ করবে তখন তার মুখে কালেমা থাকবে।”
📖 (তাবারানি, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: ২/৩১)
✅ রমজানে মিসওয়াক করলে দ্বিগুণ সওয়াব:
রমজানে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। আর মিসওয়াক এমন একটি আমল, যা নবীজি ﷺ নিয়মিত করতেন এবং সুপারিশ করতেন।
📖 কোরআনের দলিল:
আল্লাহ বলেন—
“আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন, যারা পবিত্র থাকে।”
📖 (সুরা বাকারা: ২২২)
মিসওয়াক করা একধরনের আত্মশুদ্ধি ও পবিত্রতা, যা আল্লাহ ভালোবাসেন।
🔥 তাহলে এখন কী করবেন?
এখন থেকে রমজানে নিয়মিত মিসওয়াক করুন, সুন্নত পালন করুন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করুন!
এই গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে অন্যদের জানাতে শেয়ার করুন, কমেন্ট করুন এবং বন্ধুদের ট্যাগ করুন, যাতে সবাই সুন্নত অনুযায়ী আমল করতে পারে!