
রমজানের আগে এই ৫টি কাজ না করলে বড় ক্ষতি হতে পারে!
রমজান আসতে আর মাত্র কিছুদিন বাকি! আপনি কি প্রস্তুত? নাকি আগের মতোই হঠাৎ রমজান চলে আসবে, আর আপনি ভাববেন— “ইশ! আরেকটু আগে থেকেই প্রস্তুতি নিলে ভালো হতো!”
আসুন, এবার আর সেই ভুল না করি! নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ যদি রমজানের আগেই শুরু করেন, ইনশাআল্লাহ এবারের রমজান হবে আপনার জীবনের সেরা রমজান!
১️⃣ গুনাহ থেকে পাক-পবিত্র হোন! (না হলে রোজার বরকত পাবেন না!)
রমজানের রোজা আমাদের গুনাহ মোচনের বড় সুযোগ। কিন্তু আপনি কি জানেন, যদি আমরা সত্যিকারের তাওবা না করি, তাহলে রোজার বরকতও ঠিকমতো পাবো না?
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে (ক্ষমা প্রার্থনা) অভ্যাসে পরিণত করে, আল্লাহ তার সব সংকট দূর করে দেন, তাকে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন এবং অপ্রত্যাশিত রিজিক দেন।”
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১৫১৮)
এখনই হাত তুলে বলুন— “হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমার গুনাহ মাফ করে দিন!”
২️⃣ রোজার নিয়ত ও পরিকল্পনা করুন! (রমজান শুরু হলে নয়!)
অনেকেই বলে, “রমজান এলে তখন সব করবো!” কিন্তু বাস্তবে কি হয়? প্রথম কয়েকদিন ভালোভাবে কাটে, তারপর ধীরে ধীরে অলসতা চলে আসে!
কিন্তু যারা আগে থেকে প্রস্তুতি নেয়, তাদের জন্য রমজান হয় সুন্দর ও বরকতময়!
আল্লাহ বলেন—
“রমজান মাস, যাতে কুরআন নাজিল করা হয়েছে—মানুষের জন্য হেদায়াতস্বরূপ, এবং সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী।”
(সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)
আপনি কি প্রস্তুত? কুরআন তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ, সাদাকা—সব কিছু আগেই ঠিক করে ফেলুন!
৩️⃣ কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলুন! (এটাই হবে আপনার সেরা বন্ধু)
আপনার শেষ কবে কুরআন খুলে পড়েছেন? শুধু রমজানে কুরআন পড়লেই হবে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“কুরআনের একটি হরফ পড়লে তোমাকে দশটি নেকি দেওয়া হবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০)
আপনি যদি এখন থেকেই কুরআন পড়া শুরু করেন, ইনশাআল্লাহ রমজানে আপনার জন্য এটি আরও সহজ হয়ে যাবে!
৪️⃣ দান-সাদাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন! (না হলে বড় মিস করবেন!)
রমজানে দান-সাদাকার ফজিলত কত বেশি জানেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ছিলেন সর্বোচ্চ দানশীল, বিশেষ করে রমজান মাসে তিনি অনেক বেশি দান করতেন।
এই রমজানে কি আপনি গরিবদের সাহায্য করতে চান? কমেন্টে লিখুন— “হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ!”
৫️⃣ দোয়া করুন, যেন আল্লাহ রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দেন!
অনেকে ভাবেন, রমজান তো আসবেই! কিন্তু আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি রমজান পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ দোয়া করতেন—
“হে আল্লাহ! আমাদের রজব ও শাবান মাস বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।”
(মুসনাদ আহমাদ, হাদিস: ২৩৪৬৩)
আপনারও উচিত এই দোয়াটি করা! আসুন, সবাই মিলে এই দোয়া করি!
আপনি কোন প্রস্তুতিটা শুরু করেছেন?
কমেন্টে জানান, যাতে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হয়! 👇👇